শিশুদের দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধ করব কিভাবে
চাঁদে চলবে ট্রেন নাসা বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, শিশুদের দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধ করব কিভাবে। শিশুদের দাঁতের যত্ন নিবে কিভাবে বা শিশুদের দাঁতের মাড়ি কিভাবে ফেলবে। এ সকল বিষয়বস্তু নিয়ে আজকের আলোচনা করব। শিশুদের দাঁতের সকল সমস্যা কথা আজকের আর্টিকেলে তুলে ধরা হবে।
শিশুদের দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধ করব কিভাবে বা শিশুদের দাঁতের মাড়ি কিভাবে ফেলবেন। শিশুদের দাঁতের সকল বিষয় বস্তু নিয়ে আজকে আলোচনা করব। কিভাবে আপনি আপনার সন্তানকে সুস্থ রাখতে পারেন। সেই সকল দিক বিশেষ ভাবে উল্লেখ করব।
সূচিপত্রঃ শিশুদের দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধ করব কিভাবে সেই বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে তালিকা দেওয়া হল
- শিশুদের দাঁতের যত্ন
- শিশুদের দাঁতের মাড়ি ফেলা
- শিশুদের দাঁতের ডাক্তার
- শিশুদের দাঁতের সমস্যা
- শিশুদের দাঁতের ব্যথা
- শিশুদের দুধের দাঁতের সংখ্যা কতটি
- বাচ্চাদের দাঁতে গর্ত হলে করণীয়
- বাচ্চাদের দাঁতে পোকা হলে করণীয় কি
- দাঁতের ক্ষয় রোধের ঔষধ
- দাঁতের ক্ষয় সম্পর্কে শেষ কথা
শিশুদের দাঁতের যত্ন
শিশুদের দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধ করব কিভাবে তা নিয়ে আলোচনা করব। শিশুদের দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধের মতো সর্বপ্রথম তালিকাভুক্ত হলো শিশুদের দাঁতের যত্ন। কিভাবে আপনি আপনার শিশুর যত্ন নিবেন। এগুলো সম্পর্কে আজকে সঠিক নিয়মে জানতে পারবেন। শিশুর দাঁতের যত্ন নেওয়ার সর্বপ্রথম পদক্ষেপ হলো আপনার শিশুকে প্রতিনিয়ত দাঁত পরীক্ষা করুন। সে সঠিক সময় দাঁত মাজছে কিনা এগুলো চেক করুন। সর্বদা একবার হলেও আপনার শিশুর দাঁত গুলো চেক করুন। শিশুদের দাঁতের যত্নের পরীক্ষা হিসেবে বড় হলে প্রতিফল ঘটবে। তবে আপনি আপনার সন্তানের দাঁত প্রতিনিয়ত পরীক্ষা করতে হবে।
শিশুদের দাঁতের যত্ন নিতে হলে প্রতিদিন তার বাবা-মাকে দাঁত সম্পর্কে পরীক্ষা করতে হবে। আপনার সন্তান প্রতিদিন সুষম খাদ্য খাচ্ছে কিনা। সে নিজে নিজেই তার নিজের দাঁতের প্রতি পরীক্ষা করছে কিনা। তার দাঁতগুলো সুস্থ আছে কিনা। এ সকল বিষয়গুলো তার বাবা মাকে অবশ্যই সতর্কতা হতে হবে। এই বিষয়গুলো যদি সতর্কতা অবলম্বন না করে। তাহলে পরবর্তীতে অসুবিধা হলেও হতে পারে। আপনার সন্তানকে যখন কোন খাবার দিবেন। কোন ধরনের শক্ত খাবার দেবেন না। এমন কোন খাবার দেবেন না যেগুলো সে চিবিয়ে খেতে অস্বস্তিকর করে।
আরো পড়ুনঃ ফ্রিজের সকল সমস্যার সমাধান করুন
শিশুদের দাঁতের যত্ন বিষয় নিয়ে এই গুলো যদি প্রতিনিয়ত খেয়াল করেন। তাহলে আপনার সন্তানের কোন প্রকার দাঁতের অসুবিধা হবে না। তবে শিশুদের দাঁতের যত্নের ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। তার খাদ্যের দিকে লক্ষ্য করতে হবে। সে কি পাউডার বা পেজ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করছে। সেগুলো খেয়াল করবেন। পাউডার বা পেজে যদি কোন মেডিসিন থাকে সেগুলো লক্ষ্য রাখতে হবে। তার দাঁত ক্ষয় হবার সম্ভাবনা আছে কিনা। এগুলো খেয়াল রাখতে হবে। এই সকল বিষয়বস্তুগুলো যদি আপনি খেয়াল রাখেন। তাহলে আপনার সন্তান সুস্থ থাকবে।
শিশুদের দাঁতের মাড়ি ফেলা
শিশুদের দাঁতের মাড়ি ফেলা ভালো একটি কাজ। তবে শিশুদের দাঁতের মাড়ি ফেলার ক্ষেত্রে শিশুদের দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধ করব কিভাবে। সেই বিষয়ে জানতে হবে। এ সকল বিষয় গুলো জানার পরে যদি আপনি আপনার সন্তানের মাড়ির দাঁত ফেলতে চান। তাহলে সেই মাড়ির দাঁত হাত দিয়ে পরীক্ষা করুন। সেই দাতটি যদি নড়ে তাহলে আপনি সেই দাঁতটি তুলতে পারবেন। তাছাড়া কখনো কাঁচা দাঁত নাড়াবেন না বা তুলতে যাবেন না। এই কাজটি করতে গেলে আপনার সন্তানের চোখের সমস্যা হলেও হতে পারে। দাঁতের সাথে চোখের একটা দীর্ঘ সম্পর্ক আছে।
শিশুদের দাঁতের ডাক্তার
শিশুদের দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধ করব কিভাবে এই বিষয় নিয়ে তো আলোচনা করছি এবং করব। শিশুদের দাঁতের ডাক্তার দেখাবেন কিনা। এই সম্পর্কে অনেকে জানতে চেয়েছেন। আপনার যদি কোন অসুবিধা হয়ে থাকে তাহলে নিশ্চয়ই তার দাঁতের ডাক্তার দেখাবেন। বিশেষ ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা গুলো করার পরে যদি কোন অসুবিধা হয়ে থাকে। তাহলে আপনার শিশুদের দাঁতের ডাক্তার দেখাবেন। নিজেদের দাঁতের ডাক্তার দেখাতে কোন অবহেলা বোধ করবেন না। এতে আপনার শিশুর অসুবিধা হলেও হতে পারে। এই সকল দিক দিয়ে আপনার সন্তানকে সুস্থ রাখার জন্য ডাক্তার দেখানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
শিশুদের দাঁতের সমস্যা
শিশুদের দাঁতের সমস্যা হলে বুঝবেন কিভাবে। প্রতিনিয়ত আপনার শিশুদের দাঁত চেক করুন। ভালোভাবে লক্ষ্য করুন তার দাঁত গুলো যথাযথ নিয়মে সব গুলোই ঠিক আছে কিনা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিশুদের বিশেষ ভাবে দাঁতের সমস্যা দেখা দেয়। যখন থেকে বাচ্চা ছোট থাকে। তখন থেকে তার দাঁতের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে সর্বক্ষেত্রে যদি পিতা-মাতা সেগুলো সতর্কতা অবলম্বন করে। তাহলে এই সমস্যাগুলো হবে না। আপনি আপনার শিশুকে সুস্থ রাখার জন্য সে সকল নিয়ম গুলো প্রয়োজন করণীয়গুলো ডাক্তারের কাছে উল্লেখ করব।
শিশুদের দাঁতের সমস্যা যখন শেষ ছোটবেলায় বেশি বেশি করে খাবার খায়। এই খাবার খাওয়ার অবশিষ্ট যেগুলো থেকে যায় দাঁতে। এগুলো থেকে ব্যাকটেরিয়া নামক ভাইরাস আক্রান্ত করে। দাঁতগুলো নষ্ট করার প্রক্রিয়া থাকে। একটা শিশু ছোটবেলায় বুঝবে কিভাবে তার দাঁত পরিষ্কার রাখতে হবে। সেজন্য প্রত্যেক পিতা-মাতাকে অবশ্যই এই বিষয় গুলো খেয়াল রাখতে হবে। যদি কোন কারণে সেই শিশুর পিতা মাতা অবহেলা করেন। তাহলে সেই শিশুর বড় হইয়া অনেক দুঃখিত হতে পারে। শুধু তাই নয় খাবার খেতে গেলেও অসুবিধায় সম্মুখীন হলে হতে পারে।
শিশুদের দাঁতের ব্যথা
শিশুদের দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধ করব কিভাবে তা নিয়ে একটু বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি। আপনি যদি আপনার শিশুর দাঁতে ব্যথা উপলব্ধি করেন। আপনি ভয় পাচ্ছেন যদি আপনার শিশুর দাঁতে ব্যথা করে। এসব গুলোর মূল কারণ হলো আপনার শিশু দাঁত পরিষ্কার করে না। যখন সে কোন খাবার দাবার খায় সেগুলো খাওয়ার পরে অবশিষ্ট থাকা খাবার গুলো। তার দাঁতে লেগে থাকে। এই লেগে থাকা খাওয়ার গুলো আপনার শিশুর ক্ষতির দিক এগিয়ে নিয়ে আসে। আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে এই সকল বিষয়গুলো আপনাকে বিশেষ ভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।
শিশুদের দুধের দাঁতের সংখ্যা কতটি
শিশুদের দুধের দাঁতের সংখ্যা কতটি এ সম্পর্কে আপনাদেরকে জানাবো। মূলত এই দাঁত গুলো হয়ে থাকে ২০টির মতো। এই দাত গুলো তিন বছর থেকে ২০ বছরের মধ্যে উঠে যায়। অনেকের ক্ষেত্রে কম সময় লাগে। আবার অনেকের ক্ষেত্রে বেশি সময় প্রয়োজন পড়ে। সকল ক্ষেত্রেই এই দাঁতগুলো অনেক উপকার ও উপযোগি। এই সকল দাঁতগুলো তিন বছর থেকে ধাপে ধাপে ধাপে ধাপে উড়তে থাকে। একপর্যায়ে সকল দাঁতগুলো উঠে যায়। এই দাঁতগুলো উঠে যাওয়ার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সে শিশুকাল থেকে যুবককে চলে যায়। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে তাদের দাঁত পরীক্ষা নিরীক্ষার বিষয়ে খুবই গুরুত্ব দিতে হবে।
বাচ্চাদের দাঁতে গর্ত হলে করণীয়
শিশুদের দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধ করব কিভাবে এই বিষয় নিয়ে আগেও আলোচনা করেছি। এখন আলোচনা করব বাচ্চাদের দাঁতে গর্ত হলে করণীয় কি। আপনার বাড়িতে বা কোন শিশুর যদি দাঁতের গর্ত হয়ে যাই। সেক্ষেত্রে আপনাদের করণীয় কি। তার আঠারো বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত সতর্কতার সাথে দেখাশোনা করতে হবে। ১৮ বছর হয়ে গেলে তখন তার দাঁতে ক্যাপ করাতে হবে। এই ক্যাপ করার মাধ্যমে তার দাঁত প্রায় আগের মত হয়ে যাবে। তবে এই ক্যাপটি স্থায়ী না। এ সম্পর্কে একটি পোস্ট রয়েছে। সেই পোস্টটি এই আর্টিকেলের উপরে সবুজ কালারের একটি বাটন।
বাচ্চাদের দাঁতে পোকা হলে করণীয় কি
বাচ্চাদের দাঁতে পোকা হলে করণীয় কি তা নিয়ে আলোচনা করেছি। শিশুদের দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধ করব কিভাবে এ সম্পর্কে অনেক কথাই বলেছি। তবে বাচ্চাদের দাঁতে পোকা হলে করণীয় কি। সে সম্পর্কে একটু আলোচনা করছি। আপনার বাসা যদি গ্রাম অঞ্চলে হয়ে থাকে। তাহলে অনেকেই সেখানে দাঁতের পোকা বাহির করিয়া দেয়। আপনি তাদের কাছ থেকে বাচ্চাদের দাঁতে পোকা বাহির করে নিতে পারেন। তাছাড়াও আপনি ডাক্তার দেখাতে পারেন। ডাক্তাররা সুস্থ ভাবে বাঁচাদের দাঁতে পোকা বাহির করিয়া দেয়। যাদের গ্রামগঞ্জা বাড়ি তারাও খুব সহজেই দাঁতে পোকা বাহির করতে পারবেন।
দাঁতের ক্ষয় রোধের ঔষধ
শিশুদের দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধ করব কিভাবে সেই সম্পর্কে এখনো আলোচনা করব। তবে দাঁতের ক্ষয় রোধের ঔষধ পাওয়া গিয়ে থাকে। যদি আপনার শিশুর তাতে ক্ষয় হয়ে যায়। যদি আপনার শিশুর প্রতি অবহিত করে তাহলে ক্ষয় হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। তবে সর্বক্ষেত্রেই এই গুরুত্বটা আগে থেকে আপনাকে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। দাঁতের ক্ষয় রোধের বিভিন্ন ঔষধ পাওয়া যায়। দাঁতের ক্ষয় রোধের এই সকল ঔষধের বিষয় গুলো তুলে ধরেছি। সর্বপ্রথম আপনি যদি কোন ডাক্তার দেখান। তাহলে খুবই ভালো হবে। আপনি যদি ডাক্তার দেখিয়ে থাকেন। তাহলে সেই ডাক্তাররা আপনাকে বিভিন্ন পরামর্শ দেবে।
আরো পড়ুনঃ বজ্রপাত হতে নিজেকে রক্ষা করুন
দাঁতের ক্ষয় রোধের ঔষধ যদি নিতে চান। তাহলে আপনাকে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই ক্ষেত্রে ঔষধ গুলোর নাম আমার জানা আছে। তবে সেই ঔষধ গুলোর নাম বলা ঠিক হবে না। কারণ দাঁতের একটা গুরুত্ব দিয়ে ঔষধ প্রয়োগ করতে হয়। ঔষধ যেমন দাঁতের উপকার করে তেমন ক্ষতির সম্ভাবনা আছে। এই সকল দিক বিবেচনা করে আমি ঔষধ গুলোর নাম বলছি না। তবে আপনার সন্তানকে সুস্থ রাখার জন্য একজন ডাক্তারের গুরুত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন এবং পরামর্শ অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নিন।
দাঁতের ক্ষয় রোধের ঔষধ যে কোন জায়গায় পাওয়া যায় খুব সহজে। তবে এই সকল ঔষধ গুলো আপনাকে ব্যবহার না করার জন্য আমি আহবান করব। আপনার জানা শোনা একজন ভালো দাঁতের ডাক্তার দেখান। সেই ডাক্তার দেখানোর মাধ্যম দিয়ে আপনি আপনার সন্তানকে সুস্থ করার প্রতিক্রিয়া হিসেবে বেছে নিন।তাহলে আপনার সন্তান সুস্থ থাকবে। আপনি যদি ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওসব ঔষধ ব্যবহার করেন। তাহলে শিশুদের দাঁতে আরও সকল সমস্যা সম্মুখীন হতে পারে। এ সকল বিষয় বিবেচনা করে আপনাকে সর্ব প্রথম ডাক্তারের পরামর্শ দিতে হবে।
দাঁতের ক্ষয় সম্পর্কে শেষ কথা
দাঁতের ক্ষয় সম্পর্কে শেষ কথা তুলে ধরেছি। শিশুদের দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধ করব কিভাবে? এ বিষয়গুলো এতক্ষণ ধরে আলোচনা করেছি। আপনি নিচে আর্টিকেলটি খুব ভালোভাবে পড়েছেন। এই আর্টিকেলের মধ্য যে সকল নিয়ম কানুন গুলো বলে দেওয়া হয়েছে। সব নিয়ম কানুন গুলো মেনে চলুন। তাহলে আপনি আপনার সন্তানকে সুস্থ রাখতে পারবেন। সময় প্রতিবেদনের সকল পাঠকদেরকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ। নিয়মিতভাবে আমাদের আর্টিকেলগুলো পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আমরা প্রতিটি কমেন্ট খুব ভালো ভাবে চেক করি। আমরা আপনাদের জন্য আরো কি কি বিষয় আর্টিকেল নিয়ে আসতে পারি। সে সম্পর্কে আমাদেরকে অবগত করবেন। দেখা হবে অন্য কোন আর্টিকেলে ইনশাল্লাহ।
নামাজ এমন একটি মাধ্যম যেটি সকল অন্যায় কাজকে দূরে ফেলে দেয়
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url